Close Menu
  • আইন-কানুন
  • থানা-পুলিশ
  • আদালত পাড়া
  • বার কাউন্সিল
  • ভ্যাট-ট্যাক্স
  • জমি জমা
  • পারিবারিক
  • আলোচিত মামলা
  • ক্যাম্পাস
  • বিজ্ঞপ্তি
  • সেবা নিন
Facebook X (Twitter) Instagram
, |
Facebook X (Twitter) LinkedIn Pinterest RSS
আইন ও আদালত
Leaderboard Ad
  • আইন-কানুন
  • থানা-পুলিশ
  • আদালত পাড়া
  • বার কাউন্সিল
  • ভ্যাট-ট্যাক্স
  • জমি জমা
  • পারিবারিক
  • আলোচিত মামলা
  • ক্যাম্পাস
  • বিজ্ঞপ্তি
  • সেবা নিন
আইন ও আদালত
You are at:Home»পারিবারিক»পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের ও আইনি বাধ্যবাধকতা
পারিবারিক আদালত
পারিবারিক আদালত

পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের ও আইনি বাধ্যবাধকতা

0
By Adv. Masum Billah on জুলাই ৩, ২০২৬ পারিবারিক

পারিবারিক বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতের আশ্রয় নেওয়া সাধারণত শেষ পদক্ষেপ। স্বামী-স্ত্রী, সন্তান বা পারিবারিক সদস্যদের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ প্রথমে পারস্পরিক আলোচনা, পারিবারিক সমঝোতা অথবা সামাজিক সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা করা উচিত। কিন্তু এসব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে এবং আইনি প্রতিকার (Legal Remedy) গ্রহণ ছাড়া অন্য কোনো কার্যকর উপায় না থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুযায়ী পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হয়।

১. মামলার এখতিয়ার ও আদালত নির্বাচন (Jurisdiction and Filing Location): 
এখতিয়ার (Jurisdiction) কি: এখতিয়ার বলতে বোঝায়—কোন আদালত আইনগতভাবে নির্দিষ্ট একটি মামলা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা রাখে।

পারিবারিক আদালতে মামলা করার ক্ষেত্রে সঠিক আদালত নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভুল আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত মামলাটি খারিজ না করে সঠিক আদালতে দাখিলের জন্য আবেদনপত্র (Plaint) ফেরত দিতে পারেন, ফলে সময় ও ব্যয় উভয়ই বৃদ্ধি পায়।

সাধারণ নিয়ম: সাধারণভাবে নিম্নোক্ত যেকোনো একটি ভিত্তিতে মামলা করা যায়—

  • যে এলাকায় মামলার কারণ (Cause of Action) সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে সৃষ্টি হয়েছে; অথবা
  • যে এলাকায় স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে বসবাস করেন বা সর্বশেষ একসঙ্গে বসবাস করেছিলেন।

উদাহরণ: স্বামী-স্ত্রী কুমিল্লায় একসঙ্গে বসবাস করতেন। পরে তারা আলাদা হয়ে যান এবং বর্তমানে ভিন্ন জেলায় থাকেন। এ ক্ষেত্রে কুমিল্লার পারিবারিক আদালতে মামলা করা যেতে পারে।

স্ত্রীর জন্য বিশেষ সুবিধা: আইন নারীর বিচারপ্রাপ্তি সহজ করার লক্ষ্যে একটি বিশেষ সুবিধা প্রদান করেছে। বিবাহবিচ্ছেদ, দেনমোহর এবং ভরণপোষণের ক্ষেত্রে স্ত্রী বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন, সেই এলাকার পারিবারিক আদালতেও মামলা করতে পারেন।

উদাহরণ: বিয়ে হয়েছে চট্টগ্রামে, সংসার ছিল ঢাকায়, কিন্তু বর্তমানে স্ত্রী রাজশাহীতে বাবার বাড়িতে থাকেন। এ অবস্থায় স্ত্রী রাজশাহীর পারিবারিক আদালতেই মামলা করতে পারবেন।

আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary Jurisdiction): পারিবারিক আদালতে দেনমোহর বা ভরণপোষণের টাকার পরিমাণের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। অর্থাৎ ৫০ হাজার টাকা, ৫ লক্ষ টাকা বা ৫০ লক্ষ টাকা —যে পরিমাণই দাবি করা হোক না কেন, পারিবারিক আদালতেই মামলা করা যাবে, যদি বিষয়টি আইনের আওতাভুক্ত হয়।

২. মামলা দায়েরের আবেদন (Filing of Plaint):
মামলা শুরু হয় আরজি (Plaint) দাখিলের মাধ্যমে। আরজিতে অবশ্যই নিম্নোক্ত বিষয়গুলো উল্লেখ থাকতে হবে—

  • বাদী ও বিবাদীর পূর্ণ পরিচয়
  • বিরোধের প্রকৃতি
  • ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ
  • মামলার কারণ (Cause of Action)
  • আদালতের এখতিয়ারের ভিত্তি
  • প্রার্থিত প্রতিকার (Relief Sought)
  • সাক্ষীদের নাম ও ঠিকানা
  • প্রয়োজনীয় দলিলপত্রের তালিকা
  • সংযুক্ত দলিল

সাধারণত নিম্নলিখিত কাগজপত্র সংযুক্ত করা হয়—

  • কাবিননামা (Nikahnama)
  • তালাক সংক্রান্ত নোটিশ (যদি প্রযোজ্য হয়)
  • ইউনিয়ন পরিষদ/সিটি করপোরেশনের সনদ (প্রয়োজন অনুযায়ী)
  • জন্মনিবন্ধন (সন্তানের ক্ষেত্রে)
  • জাতীয় পরিচয়পত্র
  • দেনমোহর বা ভরণপোষণ সংক্রান্ত প্রমাণ
  • অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি
  • আইনজীবীর করণীয়

৩. কোর্ট ফি (Court Fees):
পারিবারিক আদালতে মামলা করতে সাধারণ দেওয়ানি মামলার তুলনায় তুলনামূলক কম আদালত ফি প্রদান করতে হয়। এটি এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে আর্থিক অসচ্ছল ব্যক্তিরাও সহজে আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন।

কম কোর্ট ফি নির্ধারণের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ন্যায়বিচারে সহজ প্রবেশাধিকার (Access to Justice) নিশ্চিত করা।

৪. সমন জারি ও শুনানির প্রক্রিয়া (Summons and Hearing):
আদালতে মামলা দায়ের হওয়ার পর আদালত বিবাদীকে সমন (Summons) জারি করেন। এরপর উভয় পক্ষকে নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির হতে হয়।

শুনানির সময় আদালত—

  • উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনবেন
  • লিখিত জবাব গ্রহণ করবেন
  • সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ করবেন
  • প্রয়োজনে জেরা (Cross Examination) পরিচালনা করবেন
  • প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আপস-মীমাংসার সুযোগ সৃষ্টি করবেন
  • রুদ্ধদ্বার বিচার (In Camera Trial)

পারিবারিক মামলায় ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ কারণে আদালত প্রয়োজন মনে করলে রুদ্ধদ্বার কক্ষে (In Camera) বিচার পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারেন।

  • উদ্দেশ্য— ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা, সামাজিক মর্যাদা সংরক্ষণ, অপ্রয়োজনীয় প্রচার এড়ানো।

৫. আপস-মীমাংসার চেষ্টা (Reconciliation):
পারিবারিক আদালতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো— চূড়ান্ত রায় দেওয়ার আগে আদালত অনেক ক্ষেত্রে পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা বা পুনর্মিলনের সুযোগ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন।

  • বিশেষ করে— বিবাহবিচ্ছেদ, দাম্পত্য অধিকার, সন্তানের হেফাজত।

সংক্রান্ত মামলায় আদালত পুনর্মিলনের সম্ভাবনা থাকলে আপসের উদ্যোগ নিতে পারেন।

৬. রায় (Judgment) ও ডিক্রি (Decree):
সব সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনগত বিষয় বিবেচনা করে আদালত রায় প্রদান করেন। রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রস্তুত হয় এবং প্রয়োজন হলে সেই ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

৭. আপিলের বিধান (Appeal):
পারিবারিক আদালতের রায়ে কোনো পক্ষ অসন্তুষ্ট হলে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ক্ষেত্রে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তবে আইন কিছু ক্ষেত্রে আপিলের সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করেছে।

আপিল করা যায় না—
বিবাহবিচ্ছেদের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না (যদি আইন বিশেষভাবে ভিন্ন কিছু না বলে)।
নির্ধারিত অর্থসীমার নিচের দেনমোহর সংক্রান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণযোগ্য নয়।

পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করা শুধু একটি আইনি প্রক্রিয়া নয়; এটি পারিবারিক অধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং পারিবারিক সম্পর্কের জটিল বিরোধের শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত সমাধান অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই মামলা দায়েরের আগে সঠিক আদালত নির্বাচন, প্রযোজ্য আইনি বিধান অনুসরণ, সময়সীমা মেনে চলা এবং যথাযথ দলিল-প্রমাণ প্রস্তুত রাখা অত্যন্ত জরুরি। একজন দক্ষ আইনজীবীর সহায়তায় এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে বিচারপ্রাপ্তির সম্ভাবনা আরও সুদৃঢ় হয়।

দাম্পত্য অধিকার পরামর্শ পারিবারিক আদালত ভরণপোষণ মোহরানা সন্তানের অভিভাবকত্ব
Share. Facebook LinkedIn Email WhatsApp
Previous Articleপারিবারিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ৫টি প্রধান আইনি বিষয়
Next Article কেন বিশ্বের অধিকাংশ দেশে আইনজীবী ও বিচারপতিরা কালো কোট ও গাউন পরিধান করেন?
Adv. Masum Billah
  • Website
  • Facebook
  • LinkedIn

LL.B, LL.M (JU), Advocate: District & Sessions Judge Court, Dhaka.

Related Posts

পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ৫টি প্রধান আইনি বিষয়

আপনার আয়কর ফাইল যদি অডিট তালিকায় থাকে তাহলে আপনার জন্য আইনি পরামর্শ:

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
জুলাই ২৪, ২০২৬

কর বা ট্যাক্স কী? বাংলাদেশে কত ধরনের কর ব্যবস্থা রয়েছে?

জুলাই ২৪, ২০২৬

কেন বিশ্বের অধিকাংশ দেশে আইনজীবী ও বিচারপতিরা কালো কোট ও গাউন পরিধান করেন?

জুলাই ৩, ২০২৬

পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের ও আইনি বাধ্যবাধকতা

জুলাই ৩, ২০২৬

পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ৫টি প্রধান আইনি বিষয়

জুলাই ১, ২০২৬

আলফাডাঙ্গায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ, স্বামী-স্ত্রীসহ জখম ৪ জন

জুলাই ১, ২০২৬

আবাসন খাতে বাড়ছে জমির কদর

জুলাই ১, ২০২৬

ভূমি অফিসের কর্মকর্তা সেজে অতিরিক্ত টাকা আদায়

জুলাই ১, ২০২৬

বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটির বৈধতা নিয়ে রিট

জুন ৩০, ২০২৬

এসআইকে জার্সি পরিবর্তনের ঘটনায় শোকজ

জুন ২৯, ২০২৬

চেকের মামলায় আসামী যা প্রমাণ করলেই পেতে পারেন খালাস !

জুলাই ২৪, ২০২৬

কর বা ট্যাক্স কী? বাংলাদেশে কত ধরনের কর ব্যবস্থা রয়েছে?

জুন ২৬, ২০২৬

প্রিজনারস ডিলেমা এবং কার্যপ্রণালী

জুন ২৬, ২০২৬

শাস্তির তত্ত্ব

জুন ২৫, ২০২৬

জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি

জুন ২৬, ২০২৬

আদালত কি? আদালত কত প্রকার ও কি কি?

জুন ২৭, ২০২৬

গ্রেপ্তারের পরদিন কারাগারে যুবলীগ নেতার মৃত্যু

জুন ২৭, ২০২৬

মাদকের মামলার বিচারে পৃথক আদালত হবে

জুন ২৮, ২০২৬

আপনার আয়কর ফাইল যদি অডিট তালিকায় থাকে তাহলে আপনার জন্য আইনি পরামর্শ:

জুন ২৯, ২০২৬

চেকের মামলায় আসামী যা প্রমাণ করলেই পেতে পারেন খালাস !

এপ্রিল ২৯, ২০২৬

ঢাকা বারে ডিজিটাল বিপ্লব: এখন থেকে ঘরে বসেই বিকাশে দেওয়া যাবে চাঁদা

সর্বস্বত্ব © ২০২৬ তুখোড় বাংলাদেশ
  • আইন-কানুন
  • থানা-পুলিশ
  • আদালত পাড়া
  • বার কাউন্সিল
  • ভ্যাট-ট্যাক্স
  • জমি জমা
  • পারিবারিক
  • আলোচিত মামলা
  • ক্যাম্পাস
  • বিজ্ঞপ্তি
  • সেবা নিন

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.